রমজান উপহার l

রমজান উপহার _

সু‌প্রিয় ভাই/বো‌নেরা, বছর ঘুরে আবার আসছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। এই পবিত্রতায় সকলের জীবনে আসুক প্রশান্তি, সুভ্রতা ও স্বাচ্ছন্দতা ।।

#রমজান মাসে রোজাদারদের ইফতার করানোর ফযিলত অপ‌রিসীম । আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম ব্যক্তির জন্য রোজা ফরজ করেছেন। মুসলমানদের জন্য রমজান মাস আল্লাহ পাকের এক অশেষ নিয়ামত। যা বলে বা লিখে বুঝানো সম্ভব নয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ্ মাফ করার জন্য বিশেষ একটি মাস এই রমজান মাস।

রোজাদার ব্যাক্তিকে ইফতার করানোর মধ্যে রয়েছে সীমাহীন সওয়াব। হজরত সালমান (রা.) বর্ণিত এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এ মাসে কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, এর দ্বারা তার গুনাহ ক্ষমা করা হবে এবং তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। আর রোজাদারের সমপরিমাণ নেকি তাকে দান করা হবে অথচ রোজাদারের প্রাপ্য নেকি একটুও কমানো হবে না।

আর যে কোনো রোজাদারকে পরিতৃপ্ত করে খাওয়াবে, মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন আমার হাউস থেকে এমন শরবত পান করাবেন যে জান্নাতে প্রবেশের আগে তার আর পিপাসা লাগবে না।(সহিহ ইবনে খুজাইমা ১৮৮৭, বায়হাকি, শুআবুল ইমান : ৩৩৩৬, আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব : ১৭৫৩)

আসুন নি‌জেরা এ কা‌জে সাধ্যমত অং‌শীদার হয় এবং অন্য‌কেও উৎসা‌হিত ক‌রি! একবার ভাবুন আপনার দেওয়া উপহার দি‌য়ে কেউ ইফতার এবং সেহরি করবে।তার প্রতিটা মুনাজাততে আপনি থাকবেন।।

ইনশাআল্লাহ আমরা সম্পূর্ণ আমানত দা‌রিতার সা‌থে আপনা‌দের দান\সাদকা প্রকৃত ভোক্তভু‌গির কা‌ছে পৌঁছে দিবো।

অনুদান পাঠিয়ে যারা সহযোগীতা করতে চান হলদিবাড়ি মজারশোরীফে পাঠিয়ে দিতে পারেন l

মৃতদেহকে কবর দেওয়ার পর কি হয়?

মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়।
দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।
কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়।
ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে।
নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়।
মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়,
17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে।
60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না।
90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়।
এক বছর পরে মানুষের শরীরের হাড় ছাড়া কিছুই থাকে না।ধীরে ধীরে সেটাও মিশে যায় সময়ের সাথে।
আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।
অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন –
মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়?
সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়।
মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে?
মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।
5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়।
এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।
অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত।
প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া
করা উচিত।
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন (আমিন)
(সংগ্রহীত)

শবে বরাত শব্দের অর্থ:

ফারসি ভাষায় ‘শব’ শব্দের অর্থ রাত। আর ‘বরাত’ শব্দের অর্থ সৌভাগ্য। আরবিতে একে বলে ‘লাইলাতুল বরাত’, অর্থাৎ সৌভাগ্যের রাত। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, আল্লাহ এই রাতে তাঁর বান্দাদের গুনহা (অপরাধ) মাফ (ক্ষমা) করে দেন, জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।